আজকের এই প্রতিবেদনে আপনাদের সাথে শেয়ার করব এমন একটি ব্যবসার আইডিয়া যে ব্যবসাটি আপনারা মাত্র ৫,০০০ টাকা দিয়ে শুরু করতে পারবেন।
গ্রামে বা শহরে মুরগি বাহাসের চাহিদা প্রচুর আছে। শহরে মুরগির মাংসের এবং ডিমের জন্য চাহিদা আছে এবং গ্রামে হাঁস এবং মুরগির চাহিদা আছে কারন হাঁস বা মুরগির ডিমের জন্য, তার জন্য গ্রামের দিকে পশুপালন হিসাবে জনপ্রিয় ব্যবসা হয়ে উঠেছে।
সেই জন্য মুরগি বা হাঁসের ডিম থেকে বাচ্চা তোলা বা বাচ্চা ফোটানোর ব্যাপারে আজকে আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করব, যে ব্যবসাটি আমার গ্রামের বন্ধুদের জন্য পারফেক্ট একটি ব্যবসা।
পৃথিবীতে যত ব্যবসা আছে সবগুলি মানুষের চাহিদার উপর নির্ভর করে গড়ে ওঠে আর সেই চাহিদা আবার স্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে।
তাই এই ব্যবসা শহর থেকে গ্রামে একচেটিয়াভাবে করা যাবে।
আমার গ্রামের বন্ধুরা যারা মনে করেন বাড়িতে থেকেই একটা রুজি-রোজগার করতে হবে অথবা গ্রামের জমির কাজ করার পরেও একটা রুজি রোজগার করতে হবে মানে দ্বিতীয় কোন কাজ করতে হবে তাদের জন্য আজকের এই ব্যবসার আইডিয়াটি।
হ্যাঁ, আপনারা বাড়িতে বসেই এই ব্যবসা করে মাসে ৩০,০০০ টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আপনারা প্রথম অবস্থায় একটি ১০০ ডিম ক্যাপাসিটি মেশিন কিনে ব্যবসা শুরু করতে পারেন সে ক্ষেত্রে আপনাদের লাভ ৩০ হাজার টাকা হবে না জাস্ট পরীক্ষামূলক ভাবে আপনারা এই মেশিনটি কিনে ব্যবসা শুরু করতে পারেন। মুরগির ডিম ফোটানোর মেশিন "ইনকিউবেটর" যার দাম শুরু হচ্ছে পাঁচ হাজার টাকা থেকে, এই মেশিন দুই ধরনের হয় অটোমেটিক এবং সেমি অটোমেটিক সেমি অটোমেটিক মেশিনের দাম ৫,০০০ টাকা থেকে শুরু হয় কিন্তু অটোমেটিক মেশিন এর দাম একটু বেশি হয় সেগুলি ১.৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হয়। মেশিনে ডিম থাকার ক্যাপাসিটি এবং অটোমেটিক এবং সেমি অটোমেটিক এর উপর ভিত্তি করে মেশিনের দাম কম বেশি হয়।
আপনারা এই মেশিন যেখান থেকে কিনবেন সেখানে আপনাদের ডিম ফোটানো ডিমের বাচ্চা তোলার প্রশিক্ষণ দিয়ে দেবে তথাপি আমি বলে দিই, যদি একটি সেমি অটোমেটিক মেশিনের মধ্যে আপনারা ডিম গুলি বাচ্চা ফোটানোর জন্য রাখেন তাহলে দিনে চার ঘণ্টা অন্তর সেই ডিম গুলি একটু নাড়িয়ে দিতে হবে কিন্তু অটোমেটিক মেশিনে ডিম গুলি নাড়ানোর কোন প্রয়োজন হয় না।
যেখান থেকে আপনারা মেশিন কিনবেন সেখান থেকেই আপনাদের ডিম থেকে বাচ্চা তোলার প্রশিক্ষণ দিয়ে দেবে এই কাজটি আপনার বাড়ির মহিলা এবং বয়স্করা ও করতে পারবেন।
এই মেশিনটি বাড়িতে যে বিদ্যুৎ সংযোগ আছে সেই বিদ্যুৎ এই চলবে। এই মেশিনের ভিতর একটি হিটিং মেশিন একটি ফগিং মেশিন এবং দুটি পাখা থাকে এই গুলি চালানোর জন্য বিদ্যুতের দরকার হয়, অটোমেটিক মেশিনে ডিম নাড়ানোর কোন প্রয়োজন হয় না শুধুমাত্র ফগিং মেশিনে জল কমে গেলে জল দিতে হয়, এই ফগিং মেশিনটি জলকে জলীয়বাষ্প আকারে পরিণত করে, মেশিনের ভেতর জলীয়বাষ্প প্রয়োজন কারণ, বাচ্চা যখন ডিমের ভেতর থেকে বেরোবে তখন ডিমের শক্ত অংশটা নরম থাকলে সে ক্ষেত্রে বাচ্চারা তাড়াতাড়ি ঠোঁটের দ্বারা ভেঙে বেরিয়ে আসতে পারবে।
এবার আমরা দেখে নেবো লাভ-ক্ষতির অংকটা আপনি যদি ৩০ হাজার টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে আপনাকে ৩,০০০ টা ডিম রাখা যায় এমন মেসি মেশিন আপনাকে কিনতে হবে যার দাম প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার টাকা।
পরিসংখ্যান বলছে ৮০% ডিম থেকে বাচ্চা জন্মায় সেটা মুরগির ডিম হতে পারে অথবা হাঁসের ডিম হতে পারে।
প্রসঙ্গত বলে রাখি মুরগির ডিম হলে ২১ দিনে বাচ্চা জন্ম হলে ২৮ দিনে বাচ্চা জন্ম নেয়। তাহলে এখন ৩ হাজার ডিমের মধ্যে ৮০% ডিমের বাচ্চা জন্মালে তার পরিমাণটা হবে ২,৪০০ টি, একটি বাচ্চা জন্মানোর ডিমের দাম ১২ টাকা থেকে ১৫ টাকা হয় সে ক্ষেত্রে ৩ হাজার ডিমের দাম ১৫ টাকা প্রতি পিস হলে ৩,০০০ × ১৫ = ৪৫,০০০ টাকার ডিম আপনাকে কিনতে হবে।
ডিম থেকে বাচ্চা হবে ২,৪০০ টি আর এই মুহূর্তে একটি বাচ্চা মুরগির পাইকারি মূল্য ৩০ টাকা থেকে ৪৫ টাকা তাহলে ২,৪০০ টি বাচ্চা মুরগি অথবা হাস ৪৫ টাকা দামে বিক্রি করলে আপনার বাচ্চা বিক্রি করে টাকা আসছে ২,৪০০ × ৪৫ = ১০৮,০০০ টাকা। আপনার বাচ্চা হাঁস বা মুরগি বিক্রয় মূল্য ১০৮,০০০ টাকা থেকে ডিম কিনেছিলেন ৪৫,০০০ টাকা, ধরে নিন আপনার দুই জন লেবার কে দিয়ে আপনি সমস্ত কার্যটা পর্যবেক্ষণ করেছিলেন তাদের পারিশ্রমিক হিসাবে একজনকে ১০,০০০ টাকা করে দিলেন ২০,০০০ টাকা হল এবং বিদ্যুৎ খরচ ৫,০০০ টাকা ধরে নিন এবং আনুষঙ্গিক খরচ ৮,০০০ টাকা যদি ধরে নেওয়া হয় তাহলে আপনার সমস্ত খরচ বাদ দেওয়ার পরে আপনার মুনাফা দাঁড়াচ্ছে ( ১০৮,০০০ টাকা - ৪৫,০০০ টাকা = ৬৩,০০০ টাকা - ২০,০০০ টাকা = ৪৩,০০০ টাকা - ৫,০০ টাকা = ৩৮,০০০ টাকা - ৮,০০০ টাকা = ৩০,০০০ টাকা )।
এই মুনাফা আপনাকে একটা সম্মানজনক জায়গায় এনে দেবে।
এই ব্যবসা করার জন্য আপনাকে দুই ধরনের লাইসেন্স করতে হবে ট্রেড লাইসেন্স এবং পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ড থেকে এন ও সি সার্টিফিকেট। তাহলে আপনি বড় করে করতে পারেন আর যদি ছোট করে ব্যবসা করেন তাহলে শুধুমাত্র ট্রেড লাইসেন্স হলে চলবে।
তাহলে বন্ধুরা নিশ্চয়ই বুঝে গেলেন ডিম থেকে হাঁস বা মুরগির বাচ্চা তোলার ব্যবসাতে আপনি কত টাকা ইনভেস্ট করলে কত টাকা লাভ করতে পারবেন, আপনি এই ডিমগুলি যেখান থেকে মেশিন কিনবেন সেখান থেকেই কিনতে পারবেন এবং বাচ্চা হয়ে যাবার পর আপনি যেখান থেকে মেশিন কিনেছিলেন আপনি সেইখানেই বিক্রি করতে পারবেন।
অথয়েব এটি এমন একটি বিজনেস যে আপনার কাঁচামাল কেনা অর্থাৎ ডিম কেনার কোন চিন্তা থাকবে না এবং ডিম ফুটে যখন বাচ্চা হবে সেগুলি বিক্রি করার জন্য কোন চিন্তা থাকবে না কোম্পানি বাড়িতে এসে মুরগি অথবা হাঁসের বাচ্চা কিনে নিয়ে যাবে।
আমার এই প্রতিবেদনটি আশাকরি আপনাদের ভালো লেগেছে যদি খুব যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন আর যদি আপনাদের এই মুরগির বাচ্চা ফোটানো হাঁসের বাচ্চা সম্বন্ধে কোন মন্তব্য থাকে আমাকে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করতে পারেন আমি চেষ্টা করব যথাযথ উত্তর দিয়ে আপনাদের সমস্যার সমাধান করার।
গ্রামে বা শহরে মুরগি বাহাসের চাহিদা প্রচুর আছে। শহরে মুরগির মাংসের এবং ডিমের জন্য চাহিদা আছে এবং গ্রামে হাঁস এবং মুরগির চাহিদা আছে কারন হাঁস বা মুরগির ডিমের জন্য, তার জন্য গ্রামের দিকে পশুপালন হিসাবে জনপ্রিয় ব্যবসা হয়ে উঠেছে।
সেই জন্য মুরগি বা হাঁসের ডিম থেকে বাচ্চা তোলা বা বাচ্চা ফোটানোর ব্যাপারে আজকে আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করব, যে ব্যবসাটি আমার গ্রামের বন্ধুদের জন্য পারফেক্ট একটি ব্যবসা।
পৃথিবীতে যত ব্যবসা আছে সবগুলি মানুষের চাহিদার উপর নির্ভর করে গড়ে ওঠে আর সেই চাহিদা আবার স্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে।
তাই এই ব্যবসা শহর থেকে গ্রামে একচেটিয়াভাবে করা যাবে।
আমার গ্রামের বন্ধুরা যারা মনে করেন বাড়িতে থেকেই একটা রুজি-রোজগার করতে হবে অথবা গ্রামের জমির কাজ করার পরেও একটা রুজি রোজগার করতে হবে মানে দ্বিতীয় কোন কাজ করতে হবে তাদের জন্য আজকের এই ব্যবসার আইডিয়াটি।
হ্যাঁ, আপনারা বাড়িতে বসেই এই ব্যবসা করে মাসে ৩০,০০০ টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আপনারা প্রথম অবস্থায় একটি ১০০ ডিম ক্যাপাসিটি মেশিন কিনে ব্যবসা শুরু করতে পারেন সে ক্ষেত্রে আপনাদের লাভ ৩০ হাজার টাকা হবে না জাস্ট পরীক্ষামূলক ভাবে আপনারা এই মেশিনটি কিনে ব্যবসা শুরু করতে পারেন। মুরগির ডিম ফোটানোর মেশিন "ইনকিউবেটর" যার দাম শুরু হচ্ছে পাঁচ হাজার টাকা থেকে, এই মেশিন দুই ধরনের হয় অটোমেটিক এবং সেমি অটোমেটিক সেমি অটোমেটিক মেশিনের দাম ৫,০০০ টাকা থেকে শুরু হয় কিন্তু অটোমেটিক মেশিন এর দাম একটু বেশি হয় সেগুলি ১.৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হয়। মেশিনে ডিম থাকার ক্যাপাসিটি এবং অটোমেটিক এবং সেমি অটোমেটিক এর উপর ভিত্তি করে মেশিনের দাম কম বেশি হয়।
আপনারা এই মেশিন যেখান থেকে কিনবেন সেখানে আপনাদের ডিম ফোটানো ডিমের বাচ্চা তোলার প্রশিক্ষণ দিয়ে দেবে তথাপি আমি বলে দিই, যদি একটি সেমি অটোমেটিক মেশিনের মধ্যে আপনারা ডিম গুলি বাচ্চা ফোটানোর জন্য রাখেন তাহলে দিনে চার ঘণ্টা অন্তর সেই ডিম গুলি একটু নাড়িয়ে দিতে হবে কিন্তু অটোমেটিক মেশিনে ডিম গুলি নাড়ানোর কোন প্রয়োজন হয় না।
যেখান থেকে আপনারা মেশিন কিনবেন সেখান থেকেই আপনাদের ডিম থেকে বাচ্চা তোলার প্রশিক্ষণ দিয়ে দেবে এই কাজটি আপনার বাড়ির মহিলা এবং বয়স্করা ও করতে পারবেন।
এই মেশিনটি বাড়িতে যে বিদ্যুৎ সংযোগ আছে সেই বিদ্যুৎ এই চলবে। এই মেশিনের ভিতর একটি হিটিং মেশিন একটি ফগিং মেশিন এবং দুটি পাখা থাকে এই গুলি চালানোর জন্য বিদ্যুতের দরকার হয়, অটোমেটিক মেশিনে ডিম নাড়ানোর কোন প্রয়োজন হয় না শুধুমাত্র ফগিং মেশিনে জল কমে গেলে জল দিতে হয়, এই ফগিং মেশিনটি জলকে জলীয়বাষ্প আকারে পরিণত করে, মেশিনের ভেতর জলীয়বাষ্প প্রয়োজন কারণ, বাচ্চা যখন ডিমের ভেতর থেকে বেরোবে তখন ডিমের শক্ত অংশটা নরম থাকলে সে ক্ষেত্রে বাচ্চারা তাড়াতাড়ি ঠোঁটের দ্বারা ভেঙে বেরিয়ে আসতে পারবে।
এবার আমরা দেখে নেবো লাভ-ক্ষতির অংকটা আপনি যদি ৩০ হাজার টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে আপনাকে ৩,০০০ টা ডিম রাখা যায় এমন মেসি মেশিন আপনাকে কিনতে হবে যার দাম প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার টাকা।
পরিসংখ্যান বলছে ৮০% ডিম থেকে বাচ্চা জন্মায় সেটা মুরগির ডিম হতে পারে অথবা হাঁসের ডিম হতে পারে।
প্রসঙ্গত বলে রাখি মুরগির ডিম হলে ২১ দিনে বাচ্চা জন্ম হলে ২৮ দিনে বাচ্চা জন্ম নেয়। তাহলে এখন ৩ হাজার ডিমের মধ্যে ৮০% ডিমের বাচ্চা জন্মালে তার পরিমাণটা হবে ২,৪০০ টি, একটি বাচ্চা জন্মানোর ডিমের দাম ১২ টাকা থেকে ১৫ টাকা হয় সে ক্ষেত্রে ৩ হাজার ডিমের দাম ১৫ টাকা প্রতি পিস হলে ৩,০০০ × ১৫ = ৪৫,০০০ টাকার ডিম আপনাকে কিনতে হবে।
ডিম থেকে বাচ্চা হবে ২,৪০০ টি আর এই মুহূর্তে একটি বাচ্চা মুরগির পাইকারি মূল্য ৩০ টাকা থেকে ৪৫ টাকা তাহলে ২,৪০০ টি বাচ্চা মুরগি অথবা হাস ৪৫ টাকা দামে বিক্রি করলে আপনার বাচ্চা বিক্রি করে টাকা আসছে ২,৪০০ × ৪৫ = ১০৮,০০০ টাকা। আপনার বাচ্চা হাঁস বা মুরগি বিক্রয় মূল্য ১০৮,০০০ টাকা থেকে ডিম কিনেছিলেন ৪৫,০০০ টাকা, ধরে নিন আপনার দুই জন লেবার কে দিয়ে আপনি সমস্ত কার্যটা পর্যবেক্ষণ করেছিলেন তাদের পারিশ্রমিক হিসাবে একজনকে ১০,০০০ টাকা করে দিলেন ২০,০০০ টাকা হল এবং বিদ্যুৎ খরচ ৫,০০০ টাকা ধরে নিন এবং আনুষঙ্গিক খরচ ৮,০০০ টাকা যদি ধরে নেওয়া হয় তাহলে আপনার সমস্ত খরচ বাদ দেওয়ার পরে আপনার মুনাফা দাঁড়াচ্ছে ( ১০৮,০০০ টাকা - ৪৫,০০০ টাকা = ৬৩,০০০ টাকা - ২০,০০০ টাকা = ৪৩,০০০ টাকা - ৫,০০ টাকা = ৩৮,০০০ টাকা - ৮,০০০ টাকা = ৩০,০০০ টাকা )।
এই মুনাফা আপনাকে একটা সম্মানজনক জায়গায় এনে দেবে।
Watch the video for More details
এই ব্যবসা করার জন্য আপনাকে দুই ধরনের লাইসেন্স করতে হবে ট্রেড লাইসেন্স এবং পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ড থেকে এন ও সি সার্টিফিকেট। তাহলে আপনি বড় করে করতে পারেন আর যদি ছোট করে ব্যবসা করেন তাহলে শুধুমাত্র ট্রেড লাইসেন্স হলে চলবে।
তাহলে বন্ধুরা নিশ্চয়ই বুঝে গেলেন ডিম থেকে হাঁস বা মুরগির বাচ্চা তোলার ব্যবসাতে আপনি কত টাকা ইনভেস্ট করলে কত টাকা লাভ করতে পারবেন, আপনি এই ডিমগুলি যেখান থেকে মেশিন কিনবেন সেখান থেকেই কিনতে পারবেন এবং বাচ্চা হয়ে যাবার পর আপনি যেখান থেকে মেশিন কিনেছিলেন আপনি সেইখানেই বিক্রি করতে পারবেন।
অথয়েব এটি এমন একটি বিজনেস যে আপনার কাঁচামাল কেনা অর্থাৎ ডিম কেনার কোন চিন্তা থাকবে না এবং ডিম ফুটে যখন বাচ্চা হবে সেগুলি বিক্রি করার জন্য কোন চিন্তা থাকবে না কোম্পানি বাড়িতে এসে মুরগি অথবা হাঁসের বাচ্চা কিনে নিয়ে যাবে।
আমার এই প্রতিবেদনটি আশাকরি আপনাদের ভালো লেগেছে যদি খুব যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন আর যদি আপনাদের এই মুরগির বাচ্চা ফোটানো হাঁসের বাচ্চা সম্বন্ধে কোন মন্তব্য থাকে আমাকে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করতে পারেন আমি চেষ্টা করব যথাযথ উত্তর দিয়ে আপনাদের সমস্যার সমাধান করার।







