Sunday, April 12, 2020

মাত্র ৫,০০০ টাকা নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারেন ইনকিউবেটর মেশিন কিনে।

আজকের এই প্রতিবেদনে আপনাদের সাথে শেয়ার করব এমন একটি ব্যবসার আইডিয়া যে ব্যবসাটি আপনারা মাত্র ৫,০০০ টাকা দিয়ে শুরু করতে পারবেন।
গ্রামে বা শহরে মুরগি বাহাসের চাহিদা প্রচুর আছে। শহরে মুরগির মাংসের এবং ডিমের জন্য চাহিদা আছে এবং গ্রামে হাঁস এবং মুরগির চাহিদা আছে কারন হাঁস বা মুরগির ডিমের জন্য, তার জন্য গ্রামের দিকে পশুপালন হিসাবে জনপ্রিয় ব্যবসা হয়ে উঠেছে।
সেই জন্য মুরগি বা হাঁসের ডিম থেকে বাচ্চা তোলা বা বাচ্চা ফোটানোর ব্যাপারে আজকে আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করব, যে ব্যবসাটি আমার গ্রামের বন্ধুদের জন্য পারফেক্ট একটি ব্যবসা।


পৃথিবীতে যত ব্যবসা আছে সবগুলি মানুষের চাহিদার উপর নির্ভর করে গড়ে ওঠে আর সেই চাহিদা আবার স্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে।
তাই এই ব্যবসা শহর থেকে গ্রামে একচেটিয়াভাবে করা যাবে।
আমার গ্রামের বন্ধুরা যারা মনে করেন বাড়িতে থেকেই একটা রুজি-রোজগার করতে হবে অথবা গ্রামের জমির কাজ করার পরেও একটা রুজি রোজগার করতে হবে মানে দ্বিতীয় কোন কাজ করতে হবে তাদের জন্য আজকের এই ব্যবসার আইডিয়াটি।



হ্যাঁ, আপনারা বাড়িতে বসেই এই ব্যবসা করে মাসে ৩০,০০০ টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আপনারা প্রথম অবস্থায় একটি ১০০ ডিম ক্যাপাসিটি মেশিন কিনে ব্যবসা শুরু করতে পারেন সে ক্ষেত্রে আপনাদের লাভ ৩০ হাজার টাকা হবে না জাস্ট পরীক্ষামূলক ভাবে আপনারা এই মেশিনটি কিনে ব্যবসা শুরু করতে পারেন। মুরগির ডিম ফোটানোর মেশিন "ইনকিউবেটর" যার দাম শুরু হচ্ছে পাঁচ হাজার টাকা থেকে, এই মেশিন দুই ধরনের হয় অটোমেটিক এবং সেমি অটোমেটিক সেমি অটোমেটিক মেশিনের দাম ৫,০০০ টাকা থেকে শুরু হয় কিন্তু অটোমেটিক মেশিন এর দাম একটু বেশি হয় সেগুলি ১.৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হয়। মেশিনে ডিম থাকার ক্যাপাসিটি এবং অটোমেটিক এবং সেমি অটোমেটিক এর উপর ভিত্তি করে মেশিনের দাম কম বেশি হয়।


আপনারা এই মেশিন যেখান থেকে কিনবেন সেখানে আপনাদের ডিম ফোটানো ডিমের বাচ্চা তোলার প্রশিক্ষণ দিয়ে দেবে তথাপি আমি বলে দিই, যদি একটি সেমি অটোমেটিক মেশিনের মধ্যে আপনারা ডিম গুলি বাচ্চা ফোটানোর জন্য রাখেন তাহলে দিনে চার ঘণ্টা অন্তর সেই ডিম গুলি একটু নাড়িয়ে দিতে হবে কিন্তু অটোমেটিক মেশিনে ডিম গুলি নাড়ানোর কোন প্রয়োজন হয় না।
যেখান থেকে আপনারা মেশিন কিনবেন সেখান থেকেই আপনাদের ডিম থেকে বাচ্চা তোলার প্রশিক্ষণ দিয়ে দেবে এই কাজটি আপনার বাড়ির মহিলা এবং বয়স্করা ও করতে পারবেন।
এই মেশিনটি বাড়িতে যে বিদ্যুৎ সংযোগ আছে সেই বিদ্যুৎ এই চলবে। এই মেশিনের ভিতর একটি হিটিং মেশিন একটি ফগিং মেশিন এবং দুটি পাখা থাকে এই গুলি চালানোর জন্য বিদ্যুতের দরকার হয়, অটোমেটিক মেশিনে ডিম নাড়ানোর কোন প্রয়োজন হয় না শুধুমাত্র ফগিং মেশিনে জল কমে গেলে জল দিতে হয়, এই ফগিং মেশিনটি জলকে জলীয়বাষ্প আকারে পরিণত করে, মেশিনের ভেতর জলীয়বাষ্প প্রয়োজন কারণ, বাচ্চা যখন ডিমের ভেতর থেকে বেরোবে তখন ডিমের শক্ত অংশটা নরম থাকলে সে ক্ষেত্রে বাচ্চারা তাড়াতাড়ি ঠোঁটের দ্বারা ভেঙে বেরিয়ে আসতে পারবে।




এবার আমরা দেখে নেবো লাভ-ক্ষতির অংকটা আপনি যদি ৩০ হাজার টাকা ইনকাম করতে চান তাহলে আপনাকে ৩,০০০ টা ডিম রাখা যায় এমন মেসি মেশিন আপনাকে কিনতে হবে যার দাম প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার টাকা।
পরিসংখ্যান বলছে ৮০% ডিম থেকে বাচ্চা জন্মায় সেটা মুরগির ডিম হতে পারে অথবা হাঁসের ডিম হতে পারে।
প্রসঙ্গত বলে রাখি মুরগির ডিম হলে ২১ দিনে বাচ্চা জন্ম হলে ২৮ দিনে বাচ্চা জন্ম নেয়। তাহলে এখন ৩ হাজার ডিমের মধ্যে ৮০% ডিমের বাচ্চা জন্মালে তার পরিমাণটা হবে ২,৪০০ টি, একটি বাচ্চা জন্মানোর ডিমের দাম ১২ টাকা থেকে ১৫ টাকা হয় সে ক্ষেত্রে ৩ হাজার ডিমের দাম ১৫ টাকা প্রতি পিস হলে ৩,০০০ × ১৫ = ৪৫,০০০ টাকার ডিম আপনাকে কিনতে হবে।
ডিম থেকে বাচ্চা হবে ২,৪০০ টি আর এই মুহূর্তে একটি বাচ্চা মুরগির পাইকারি মূল্য ৩০ টাকা থেকে ৪৫ টাকা তাহলে ২,৪০০ টি বাচ্চা মুরগি অথবা হাস ৪৫ টাকা দামে বিক্রি করলে আপনার বাচ্চা বিক্রি করে টাকা আসছে ২,৪০০ × ৪৫ = ১০৮,০০০ টাকা। আপনার বাচ্চা হাঁস বা মুরগি বিক্রয় মূল্য ১০৮,০০০ টাকা থেকে ডিম কিনেছিলেন ৪৫,০০০ টাকা, ধরে নিন আপনার দুই জন লেবার কে দিয়ে আপনি সমস্ত কার্যটা পর্যবেক্ষণ করেছিলেন তাদের পারিশ্রমিক হিসাবে একজনকে ১০,০০০ টাকা করে দিলেন ২০,০০০ টাকা হল এবং বিদ্যুৎ খরচ ৫,০০০ টাকা ধরে নিন এবং আনুষঙ্গিক খরচ ৮,০০০ টাকা যদি ধরে নেওয়া হয় তাহলে আপনার সমস্ত খরচ বাদ দেওয়ার পরে আপনার মুনাফা দাঁড়াচ্ছে ( ১০৮,০০০ টাকা - ৪৫,০০০ টাকা = ৬৩,০০০ টাকা - ২০,০০০ টাকা = ৪৩,০০০ টাকা - ৫,০০ টাকা = ৩৮,০০০ টাকা - ৮,০০০ টাকা = ৩০,০০০ টাকা )।
এই মুনাফা আপনাকে একটা সম্মানজনক জায়গায় এনে দেবে।

 Watch the video for More details

      

এই ব্যবসা করার জন্য আপনাকে দুই ধরনের লাইসেন্স করতে হবে ট্রেড লাইসেন্স এবং পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ড থেকে এন ও সি সার্টিফিকেট। তাহলে আপনি বড় করে করতে পারেন আর যদি ছোট করে ব্যবসা করেন তাহলে শুধুমাত্র ট্রেড লাইসেন্স হলে চলবে।
তাহলে বন্ধুরা নিশ্চয়ই বুঝে গেলেন ডিম থেকে হাঁস বা মুরগির বাচ্চা তোলার ব্যবসাতে আপনি কত টাকা ইনভেস্ট করলে কত টাকা লাভ করতে পারবেন, আপনি এই ডিমগুলি যেখান থেকে মেশিন কিনবেন সেখান থেকেই কিনতে পারবেন এবং বাচ্চা হয়ে যাবার পর আপনি যেখান থেকে মেশিন কিনেছিলেন আপনি সেইখানেই বিক্রি করতে পারবেন।
অথয়েব এটি এমন একটি বিজনেস যে আপনার কাঁচামাল কেনা অর্থাৎ ডিম কেনার কোন চিন্তা থাকবে না এবং ডিম ফুটে যখন বাচ্চা হবে সেগুলি বিক্রি করার জন্য কোন চিন্তা থাকবে না কোম্পানি বাড়িতে এসে মুরগি অথবা হাঁসের বাচ্চা কিনে নিয়ে যাবে।
আমার এই প্রতিবেদনটি আশাকরি আপনাদের ভালো লেগেছে যদি খুব যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন আর যদি আপনাদের এই মুরগির বাচ্চা ফোটানো হাঁসের বাচ্চা সম্বন্ধে কোন মন্তব্য থাকে আমাকে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করতে পারেন আমি চেষ্টা করব যথাযথ উত্তর দিয়ে আপনাদের সমস্যার সমাধান করার।

Thursday, April 9, 2020

মুড়ির ব্যবসা। মুড়ি ভাজার মেশিন কিনে মাসে ৯০,০০০ টাকা ইনকাম করুন।

এই প্রতিবেদনে আলোচনা করা হয়েছে কিভাবে মুড়ি তৈরির ব্যবসা করে স্বাবলম্বী হওয়া যায়, মুড়ি এমন একটি খাদ্য দ্রব্য যেটা পশ্চিমবঙ্গ সহ ভারতের সমস্ত স্থানে এর প্রচুর চাহিদা।
তাই এই মুড়ি তৈরির ব্যবসা করে আপনি হয়ে উঠতে পারেন সফল ব্যবসায়ী।
পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন স্থানে মুড়ি ভাজা মেশিন কিনতে পাওয়া যায় তথাপি পশ্চিমবঙ্গে এই মেশিন সর্ব প্রথম বর্ধমানে তৈরি হওয়া শুরু হয়েছিলো, তারপর বাঁকুড়াতে বেশ কিছু কোম্পানি মেশিন তৈরি করে।

মুনাফার পরিমান: এই ব্যবসা করে আপনারা মাসে প্রায় ৯০,০০০ টাকা ইনকাম করতে পারবেন। ( নিচের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী )
আপনি যদি পরিশ্রমী হন তাহলে কোন ব্যবসাই আপনার পক্ষে অসম্ভব না, আর এটা মাথায় রাখতে হবে পরিশ্রম ছাড়া কোন কাজই সফল হয় না।

মেশিন এবং দাম: প্রচুর পরিমানে মুড়ি ভাজার জন্য আপনাদের ১৫০ কেজি/ ঘন্টা অথবা ২০০ কেজি/ ঘন্টা মুড়ি ভাজার ক্যাপাসিটি যুক্ত মেশিন কিনতে হবে, যার দাম প্রায় ৩৫,০০০ টাকা থেকে ৫০,০০০ টাকা হয়ে থাকে, তবে এর থেকে বেশি দামের ও মেশিন আছে, ১,৫০০কেজি / ঘন্টা পর্যন্ত মুড়ি ভাজা মেশিন পাওয়া যায়, মুড়ি ভাজার ক্যাপাসিটি এবং মেশিনের ব্যবহৃত লোহার সিটের মোটা পাতলা অনুযায়ী দাম কম বেশি হয়, এছাড়া লোহার পাইকারি বাজারে যখন লোহার দাম কম বেশি হয় তখন মেশিনের দাম কম বেশি হয়।
আপনারা যদি এই ব্যবসা করতে চান তাহলে এবং এই ব্যবসায় একেবারে নতুন হন তাহলে ২০০ কেজি / ঘন্টা মুড়ি ভাজার মেশিনটা নিয়ে ব্যবসা শুরু করাই শ্রেয়।

ব্যবসার জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন: ছোট করে এই ব্যবসা করতে চাইলে শুধুমাত্র ট্রেড লাইসেন্স হলেই শুরু করা যায়, যদি আপনি মনে করেন একটু বড় ব্যবসা করবেন তাহলে ট্রেড লাইসেন্সের পাশাপাশি ফুড লাইসেন্স, ফায়ার লাইসেন্স, পলিউসন কন্ট্রোল বোর্ড থেকে এন. ও. সি সার্টিফিকেট লাগবে,

ব্যবসার পরিকল্পনা: মুড়ি তৈরির ব্যবসা করার আগে প্রয়োজনীয় অনুমোদন গুলি নিয়ে রাখুন, এতে আপনার ব্যবসা পরিচালনা করা সহজ হবে, তার আগে ঠিক করে নিন কোথায় আপনি মেশিনটি রাখবেন সেই জায়গাটা যেন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং হাইজেনিক হয়, কারণ আপনি একটি খাদ্য দ্রব্যের ব্যবসা করছেন। এই সমস্ত ধাপ গুলি কমপ্লিট হওয়ার আগে আপনাকে জেনে নিতে হবে এই ব্যবসা সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য যেমন আপনার এলাকায় এর মার্কেট কোথায় আছে সেই মার্কেটে আপনার পন্যের চাহিদা কতটুকু আছে কিভাবে আপনি আপনার উৎপাদিত পণ্য বিক্রয় করবেন? খুচরো না কি পাইকারি, লুজ না কি প্যাকেট করে?  ব্যবসা শুরুর আগে এই সব তথ্য গুলি ভালো করে খোঁজখবর করে চিন্তা ভাবনা করে নেওয়া দরকার।

দেখলেন সবকিছুই যখন ঠিক আছে তখন আপনি আপনার ব্যবসার জন্য তৈরি এবং খুব কম সময়ে আপনি সফলতার সিঁড়ি দেখতে পাবেন।

এবার তাহলে ২০০ কেজি / ঘন্টা ক্যাপাসিটি যুক্ত একটি মুড়ি মেকিং মেশিন কিনে ফেললেন যার দাম আনুমানিক ৪৫ হাজার টাকা থেকে ৫০ হাজার টাকা । এই মেশিন চালনা করা অত্যন্তই সহজ তথাপি যে ইউনিট থেকে মেশিন কিনবেন সেখান থেকে আপনাকে যাবতীয় প্রশিক্ষণ দিয়ে দেওয়া হবে।

এবার তাহলে লাভ-ক্ষতির হিসাব টা দেখে নিই, যেটার জন্য এতক্ষণ ধরে এই প্রতিবেদনটি আপনারা পড়ছেন এবং আমি এই প্রতিবেদনটি লিখছি ।
একটি লাইট ২০০ কেজি / ঘন্টা ক্যাপাসিটি যুক্ত মেশিন সারাদিন তিন ঘন্টা যদি চালান তাহলে আপনার মুড়ি তৈরি হবে ৬০০ কেজি, আর আপনি যদি সেই মুড়ি পাইকারী বিক্রয় করে পাঁচ টাকা প্রতি কেজি লাভ পান তাহলে ৩ হাজার টাকা আপনার মুনাফা হবে। আর যদি খুচরা বিক্রয় করেন তাহলে আপনার আরও বেশি লাভ হবে।
এবার তো আমরা ভাবছি এই ৬০০ কেজি মুড়ি কে নেবে?
 এটা তো অসম্ভব!! বন্ধুরা আগেই বলেছি আপনার এলাকায় মুড়ির বাজার কেমন আছে সেই দিকটা ভালভাবে দেখে শুনে আপনাদের ব্যবসা শুরু করতে হবে।
 আপনি যদি ২৫০ গ্রাম প্যাকেট করে মুড়ি সাপ্লাই করেন সে ক্ষেত্রে আমি বলব আপনারা কয়েক কদম এগিয়ে থাকবেন।

এবার একটু আলোচনা করে নিই মুড়ি ভাজার জন্য কি কি উপকরণ লাগবে, এই মেশিনটি আপনি গ্যাস, কাঠের আগুন, কেরোসিন ও ডিজেলের আগুনে চালাতে পারবেন, আর মেশিনে যে মোটর থাকবে সেই মোটর বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগে চালাতে পারবেন।

এই মুড়ি মেকিং মেশিন গরম করে ৩ ঘন্টা চালানোর জন্য আপনাকে ১ ঘন্টায় সাড়ে ৪.৫ কেজি গ্যাস প্রয়োজন হবে আর যদি কাঠের আগুনে গরম করতে চান তাহলে ৩ ঘন্টা ৩৫ কেজি কাঠ লাগবে।
 আমি আপনাদের এই প্রতিবেদনে গ্যাসের আগুনের উদাহরণ দিলাম, যেহেতু গ্যাস সব জায়গায় এভেলেবেল। এক ঘন্টায় আনুমানিক ৪.৫ কেজি গ্যাস লাগলে ৩ ঘন্টা লাগবে ১৩.৫ কেজি গ্যাস। ধরুন প্রতি কিলো মুড়ির চালের দাম আপনার কেনা পড়বে ২২ টাকা, সেই ১ কেজি চাল থেকে মুড়ি বানাতে ১ টাকা ফুয়েল খরচ হবে, লেবার চার্জ বাবদ ১ টাকা ধরা হলে এবং ১ কেজি চাল থেকে মুড়ি বানাতে কিছু পরিমাণ সর্টেজ হবে,  তার পরিমাণ টাকা ধরা হলো ২ টাকা,  তাহলে এক কেজি মুড়ি বানাতে আপনার খরচ হল ২৬ টাকা। আর আপনি যদি সেই মুড়ি পাইকারি হারে বিক্রয় করেন প্রতি কেজিতে ৫ টাকা লাভ রাখেন অর্থাৎ ৩১ টাকা প্রতি কেজি বিক্রি করেন, তাহলে আপনার লাভ হবে ৬০০ কেজি মুড়ি বিক্রি করে ৩০০০ টাকা লাভ করতে পারবেন আর যদি খুচরা বিক্রয় করেন তাহলে আপনি লাভের পরিমাণটা অনেক বেশি পাবেন।




এবার আলোচনা করা যাক মুড়ি তৈরির পদ্ধতি সম্পর্কে ধরে নেওয়া হোক আপনি ১০০ কেজি চালের মুড়ি ভাজবেন তাহলে প্রথমে ১০০ কেজি চাল কে নুন জল দিয়ে সামান্য ভিজিয়ে নিতে হবে যাতে চালের ভেতর ঢুকতে পারে এবং পরে চাল শুকিয়ে নিতে হবে আপনি এই চাল রোদে শুকিয়ে নিতে পারেন অথবা চাল শুকানোর জন্য ড্রায়ার মেশিন পাওয়া যায় সেটা কিনে চালাতে পারেন এবং কিছু কিছু কারখানায় একটু উন্নত মানের মেশিন আছে যেখানে চাল শুকানোর কোন প্রয়োজন হয় না একেবারে মেশিনে দিলে ওটা শুকনো হয়ে ভাজা হয়ে বেরিয়ে আসবে।
 তবে মুড়ি ভাজার আগেই আপনাকে চালু শুকিয়ে নিতে হবে এটা কিন্তু মাথায় রাখবেন আরেকটি কথা মাথায় রাখতে হবে যেটা ১০০ কেজি চাল যদি আপনি ভেজান তাহলে শুকনো চালের পরিমাণও কিন্তু ১০০ কেজি যেন থাকে তাহলে মুড়ি ভালো হবে।
এই মেশিনে আপনারা শুধু মুড়ি ভাজবেন তা নয় ছোলা, খই, বাদাম, চিড়া  ইত্যাদি খাদ্যদ্রব্য ভেজে বিক্রি করে আপনার ব্যবসা বাড়াতে পারবেন।

আপনারা এই মেশিন কোথায় পাবেন যদি আপনাদের এই মেশিনের প্রয়োজন হয় তাহলে কমেন্ট করে জানতে পারেন।


  


তাহলে বন্ধুরা নিশ্চয়ই বুঝে গেলেন এই মুড়ি তৈরির মেশিন দিয়ে আপনারা কেমন করে মুড়ি বাঁচবেন, কি কি উপকরণ লাগবে এবং কত টাকা মুনাফা করতে পারবেন এবং আপনার ইনভেস্ট কত টাকা হবে, আশা করি এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে আপনাদের বুঝাতে পারলাম মুড়ির ব্যবসা সম্বন্ধে যদি আপনাদের এই ব্যবসা সম্বন্ধে আরও কিছু জানার থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে আপনারা জানতে পারেন।

মাত্র ৫,০০০ টাকা নিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারেন ইনকিউবেটর মেশিন কিনে।

আজকের এই প্রতিবেদনে আপনাদের সাথে শেয়ার করব এমন একটি ব্যবসার আইডিয়া যে ব্যবসাটি আপনারা মাত্র ৫,০০০ টাকা দিয়ে শুরু করতে পারবেন। গ্রামে বা...